মহেশতলায় হদিশ পাওয়া গেল দুটি নকল সিমেন্ট এবং ওয়াল পুট্টি তৈরি করার কারখানার
দি নিউজ লায়ন ; মহেশতলায় হদিশ পাওয়া গেল দুটি নকল সিমেন্ট এবং ওয়াল পুট্টি তৈরি করার কারখানার। শনিবার নির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে মহেশতলা থানার পুলিশ পালান ইনডাসট্রিয়াল এলাকার দুইটি গোডাউনে হানা দিয়ে একটি প্রতিষ্ঠিত কম্পানির লোগো ব্যবহার করে সিমেন্ট এবং ওয়াল পুট্টি প্রস্তুতকারী সংস্থার হদিশ পায়।
জানা গিয়েছে, গ্রাহক পরিষেবা কেন্দ্রে ফোন করে বেশ কিছুদিন ধরেই গ্রাহকরা ওই কোম্পানির ওয়াল পুট্টি এবং সিমেন্টের গুণগত মান নিয়ে প্রশ্ন তুলছিল। তাই ওই সংস্থা নিজেদের মতন করে অন্তর তদন্ত করে জানতে পারে তাদের নির্দিষ্ট কোন কারখানায় এই দ্রব্যাদি তৈরি হচ্ছিল না। সেই মতোই তারা বিভিন্ন রিটেল শপ গুলিতে গিয়ে জানতে পারে মহেশতলার একটি ইন্ডাস্ট্রিয়াল এলাকার বেশ কিছু গোডাউন ভাড়া করে তাদের লোগো ব্যবহার করে সিমেন্ট এবং ওয়াল পুট্টি তৈরি করছে।
সেখান থেকেই ওই নকল সিমেন্ট এবং ওয়াল পুট্টি বিভিন্ন দোকান এর মাধ্যমে গ্রাহকদের কাছে পৌঁছে যেত। মুম্বাইয়ের ওই সংস্থার লোকেরা শনিবার রাতে মহেশতলা থানার পুলিশের বিশাল পুলিশবাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে ওই ইন্ডাস্ট্রিয়াল এলাকায় হানা দিয়ে লক্ষাধিক টাকার দ্রব্যাদি বাজেয়াপ্ত করার পাশাপাশি দুটি গোডাউন আপাতত অস্থায়ীরূপে সিল করে দিয়েছে পুলিশ।
সংযুক্ত আরব আমিরশাহী থেকে এক ধরনের পাউডার আসতো সেই পাউডারের সাথে কেমিক্যাল মিশিয়ে তৈরি হতো সিমেন্ট এবং ওয়াল পুট্টি। গভীর রাত পর্যন্ত ওই দুই গোডাউনের মালিক পক্ষ যা কাগজপত্র দেখিয়েছে তাতে তাদের চালান রশিদ এবং সিমেন্ট বা ওয়াল পুট্টি তৈরি করার ছাড়পত্র থাকলেও কোনো নামিদামি কোম্পানির লোগো ব্যবহারের অনুমতির কোন কাগজ তারা দেখাতে পারেনি।
মহেশতলা থানার পুলিশ ওই দুটি গোডাউনের মালিক সহ, ম্যানেজার এবং বেশ কয়েকজন কর্মচারীকে আটক করেছে। রবিবার সকালে মহেশতলা থানা নকল সিমেন্ট তৈরির ঘটনায় দুটি কারখানার মালিক এবং ম্যানেজারকে অর্থাৎ চারজনকে রবিবার মহেশতলা থানা বিনা অনুমতিতে লোগো ব্যবহার, জালিয়াতি এবং কপিরাইট ধারায় মামলা রুজু করে আলিপুর আদালতে পাঠিয়েছে।

Post a Comment